Skip to main content

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দেখা হবে কোথায়?




২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার কথা মনে আছে? গতবারের ওই আসরে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। আসলে বেলো হরিজোন্তেয় সেদিনই হয়ে গিয়েছিল ‘ফাইনাল’! সেই ব্রাজিলেই আবার বসেছে লাতিন আমেরিকার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। বলার অপেক্ষা রাখে না গোটা ফুটবল বিশ্ব অধীর অপেক্ষায় আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াই দেখার। তবে এবার আর সেমিফাইনাল নয়, ফাইনালেই সাক্ষাৎ হবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার!

‘যদি’ ‘কিন্তু’ অবশ্যই আছে। তবে সবকিছু হিসাব মতো গেলে ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনাল অপেক্ষা করছে উত্তেজনার সব রসদ জমা রেখে। গ্রুপ পর্ব শেষে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শিরোপার যে গতিপথ নির্ধারণ হয়েছে, তাতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনালের আগে দেখা হচ্ছে না। কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের বাধা পেরোতে পারলে দুই দলের লড়াই হবে মারাকানার ফাইনালে।

ফর্মের তুঙ্গে আছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দুই দল আলাদা দুই গ্রুপে খেলায় তাদের সাক্ষাৎ হয়নি এখনও। ‘এ’ গ্রুপে তিন জয় ও ১ ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল ‘বি’ গ্রুপে তিন জয় ও ১ ড্রয়ে সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে উঠেছে শেষ আটে। অর্থাৎ, জয়-ড্রয়ের হিসাবে মাপলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত সমানে সমান। নিজ নিজ গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউট পর্বে খেলতে যাচ্ছে দুই দল।

আর এই কারণেই ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথ হয়েছে ভিন্ন। ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ পেয়েছে ‘বি’ গ্রুপে চতুর্থ হওয়া ইকুয়েডরকে। শেষ আটের বাধা পেরোতে পারলে সেমিফাইনালে লিওনেল মেসিরা মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে-কলম্বিয়া ম্যাচের জয়ী দলের। এরপর সেমিফাইনালের বাধা টপকালে মারাকানার ফাইনাল।

অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় ব্রাজিল কোযার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে ‘এ’ গ্রুপে চতুর্থ হওয়ায় চিলিকে। এই বাধা পেরোতে পারলে সেমিফাইনালে নেইমাররা খেলবে পেরু-প্যারাগুয়ে ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে। এরপর সেমিফাইনালের চৌকাঠ পেরোতে পারলে ফাইনাল। সোজা কথায়, আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সেমিফাইনালে দেখা হচ্ছে না।

শিরোপা প্রত্যাশী দুই দল পা না হড়কালে ১১ জুলাই উপভোগ্য এক ফাইনালের মঞ্চ তৈরি হয়ে যাবে। যে ফাইনালের আশায় লাতিন আমেরিকা পেরিয়ে গোটা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ এমনিতেই থাকে উত্তেজনায় ঠাসা, সেখানে ফাইনাল... এককথায় সোনায় সোহাগা!

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

জন্মদিন উপলক্ষে কিছু কথা

©Md. Ashik Mahmud' Birth Day  _6th Sep 2k21🌺  এই পৃথিবীতে এমনি একটি দিনে আমি এসেছিলাম, আজ সেই দিন। আমি নিজেও এ বিষয়ে অবহিত যে জগতের লক্ষ কোটি মানুষের এই পথচলায় আমার অতি ক্ষুদ্র আমিটির পৃথিবীতে আগমন বা প্রস্থানে কোন ভাবেই আলাদা কোন গুরুত্ব বহন করে না!  তবু জানতে ইচ্ছে করে... সত্যি, আমাকে দিয়ে কোন কাজ হয়েছে কারো? আকাশে, বাতাসে, মেঘলা দুপুরে হঠাত বৃষ্টি আমার বাঁশীতে জেগেছে কি সুর, নতুন সৃষ্টি? জীবন হে তুমি, আর কত খেলা খেলতে পারো? জীবন তুমি কি সবুজাভ বনে, পাথুরে পাহাড়?নক্ষত্রের ছায়াপথে তুমি ধোঁয়াসা ঝালর? যাক এসব কথা...!  আমার মতো একজন অতি ক্ষুদ্র মানুষের জীবনে যদিও জন্মদিনের তেমন কোন গুরুত্ব নেই তবুও আমার সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর প্রতি লাখো কোটি শুকরিয়া। আমার প্রাণপ্রিয় বাবা-মায়ের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি! আমি সবার কাছে দোয়া চাই, আমি যেন আমার জন্মকে সার্থক করতে পারি আমার কর্মের মাধ্যমে। আমার প্রজন্মের জন্য যেন রেখে যেতে পারি অনুকরণীয় এমন কিছু যার মাধ্যমে মানবতা সামান্যতম হলেও উপকৃত হয়। আমি যখন আমার পেছনে তাকাই, তখন দিন, মাস, বছর পেরিয়ে চলে যাই সেই অতীত...

ঢাকা ছাড়ছে মানুষ

  ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট।  ছবি: আশিক মাহমুদ। কেউ হেঁটে, কেউবা রিকশায় পার হচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়। মোড় পার হয়েই আবার তারা চড়ছেন ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহনে। অনেকে উঠে পড়ছেন ট্রাক ও পিকআপের পেছনে। নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় আজ রোববার দুপুরের দৃশ্য এটি। এই মোড়ের দুই পাশেই যানবাহনের দীর্ঘ সারি। নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড সড়কেও একই পরিস্থিতি। যানজটের কারণে প্রচুর মানুষ যানবাহন থেকে নেমে হেঁটেই মোড় পার হচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ সকাল থেকেই সাইনবোর্ড এলাকায় মানুষ ও যানবাহনের এমন চাপ চলছে।

অবৈধ মোবাইল শনাক্ত শুরু, নিষ্ক্রিয় করা যাবে হারানো ফোন

  দেশে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট শনাক্তের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে দেশের বাজারে অবৈধভাবে আসা মোবাইল ফোন শনাক্ত করার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। এজন্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম ব্যবহার করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষ। দেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করবে বিটিআরসি। এতে মোবাইল গ্রাহকদের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বলেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ মোবাইল সেট বৈধ করার সময় পাবেন সবাই। এখনই কারও মোবাইল সেট নিষ্ক্রিয় বা বন্ধ করা হবে না। নিবন্ধিত বৈধ মোবাইল সেট হারিয়ে গেলে তা নিষ্ক্রিয় করা যাবে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যাবে আরও অনেক সুবিধা। এ বিষয়ে বিটিআরসির কমিশনার এ কে এম শহীদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, 'দেশজুড়ে বর্তমানে প্রায় ১৫ কোটি হ্যান্ডসেটের চাহিদা রয়েছে। যার ৪০ শতাংশই অবৈধভাবে বাজারে প্রবেশ করেছে বা বিদেশ থেকে আনা হয়েছে। আমরা এসব শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছি। মূলত আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখার জন্যই এটা করা হচ্ছে। সুযোগ...